ডেটা সুরক্ষার প্রধান নীতিমালা
ব্যক্তিগত তথ্য পরিচালনার ক্ষেত্রে স্পষ্ট সীমা থাকা প্রয়োজন। ব্যবহারকারীদের বোঝার সুযোগ থাকা উচিত কী ধরনের তথ্য জড়িত হতে পারে, কেন সেই তথ্য প্রয়োজন এবং কীভাবে তা সুরক্ষিত রাখা হতে পারে।
ব্যবহারকারীর তথ্য ব্যবহারের ক্ষেত্রে ওয়েবসাইটটি কয়েকটি সাধারণ নীতি অনুসরণ করে:
- তথ্য শুধুমাত্র প্রাসঙ্গিক ও বোধগম্য উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা উচিত।
- নির্দিষ্ট কোনো কাজের জন্য যুক্তিসঙ্গতভাবে প্রয়োজনীয় তথ্যের মধ্যেই সংগ্রহ সীমাবদ্ধ রাখা উচিত।
- ব্যক্তিগত বা প্রযুক্তিগত তথ্য পরিচালনার সময় নিরাপত্তা বিবেচনা করা উচিত।
- গুরুত্বপূর্ণ গোপনীয়তা-সংক্রান্ত পদ্ধতি সম্পর্কে ব্যবহারকারীদের স্পষ্ট তথ্য দেওয়া উচিত।
- প্রাসঙ্গিক উদ্দেশ্যের জন্য যতদিন প্রয়োজন, তার বেশি সময় ব্যক্তিগত তথ্য সংরক্ষণ করা উচিত নয়।
এই নীতিগুলো সাধারণ ওয়েবসাইট ব্যবহারের পাশাপাশি যোগাযোগ ফর্মের মাধ্যমে বার্তা পাঠানোর মতো ইন্টারঅ্যাকশনের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
কোনো অনলাইন সিস্টেমই সম্পূর্ণ নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিতে পারে না। তাই উদ্দেশ্য হলো যুক্তিসঙ্গত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ব্যবহার করা এবং একই সঙ্গে ডিজিটাল ডেটা সুরক্ষার সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে স্বচ্ছ থাকা।
এই গোপনীয়তা নীতি কার জন্য প্রযোজ্য
ওয়েবসাইটের সঙ্গে কীভাবে ইন্টারঅ্যাক্ট করা হচ্ছে তার ওপর নির্ভর করে এই নীতি বিভিন্ন ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে।
এর মধ্যে থাকতে পারেন:
- যারা নিবন্ধ পড়েন বা পাবলিক পেজ ব্রাউজ করেন।
- উপলব্ধ অ্যাকাউন্ট-ভিত্তিক ফাংশনের ব্যবহারকারীরা।
- যারা যোগাযোগের চ্যানেলের মাধ্যমে প্রশ্ন, সংশোধনী বা অন্যান্য বার্তা পাঠান।
- যাদের ব্রাউজার স্বাভাবিক ওয়েবসাইট ব্যবহারের সময় প্রযুক্তিগত তথ্য সরবরাহ করে।
বাংলাদেশের পাঠকদের ক্ষেত্রে ডেস্কটপ কম্পিউটার, স্মার্টফোন বা অন্য কোনো সমর্থিত ডিভাইস থেকে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করলেও একই নীতি প্রযোজ্য।
বিভিন্ন ফিচারে বিভিন্ন পরিমাণ তথ্য জড়িত থাকতে পারে। কেউ শুধু একটি নিবন্ধ পড়লে প্রধানত প্রযুক্তিগত ওয়েবসাইট ডেটা তৈরি হতে পারে, অন্যদিকে যোগাযোগের অনুরোধ পাঠালে ব্যবহারকারী স্বেচ্ছায় যোগাযোগের তথ্য এবং বার্তার বিষয়বস্তু দিতে পারেন।
ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে আমরা যে তথ্য সংগ্রহ করতে পারি
কোন তথ্য জড়িত হবে তা নির্ভর করে দর্শক কী করতে চান এবং ওয়েবসাইটে কোন ফাংশনগুলো উপলব্ধ তার ওপর।
সম্ভাব্য তথ্যের শ্রেণির মধ্যে যোগাযোগের তথ্য, প্রোফাইল বা অ্যাকাউন্টের তথ্য, লেনদেন-সংক্রান্ত বিবরণ, প্রযুক্তিগত তথ্য এবং পূর্ববর্তী ইন্টারঅ্যাকশনের রেকর্ড থাকতে পারে।
| ডেটার ধরন | জড়িত হতে পারে এমন তথ্যের উদাহরণ |
|---|---|
| যোগাযোগের তথ্য | নাম, ইমেইল ঠিকানা বা স্বেচ্ছায় দেওয়া অন্যান্য তথ্য |
| অ্যাকাউন্টের তথ্য | উপলব্ধ অ্যাকাউন্ট ফিচারের সঙ্গে যুক্ত প্রোফাইলের বিবরণ |
| যাচাইকরণ তথ্য | পরিচয়, বয়স বা লেনদেনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত তথ্য |
| পেমেন্ট রেকর্ড | পরিমাণ, তারিখ, অবস্থা, পেমেন্ট পদ্ধতি ও লেনদেনের রেফারেন্স |
| প্রযুক্তিগত তথ্য | IP ঠিকানা, ব্রাউজার, ডিভাইসের ধরন ও ভাষা |
| ইন্টারঅ্যাকশনের ইতিহাস | বার্তা, পেজ ভিজিট বা পূর্ববর্তী অনুরোধ |
এই নীতিতে কোনো তথ্যের শ্রেণি উল্লেখ করা হয়েছে মানেই প্রত্যেক দর্শকের কাছ থেকে সব ধরনের তথ্য চাওয়া হবে—এমন নয়।
রেজিস্ট্রেশনের সময় প্রদান করা তথ্য
যেখানে রেজিস্ট্রেশন বা প্রোফাইল ফিচার উপলব্ধ থাকে, সেখানে ব্যবহারকারীরা অ্যাকাউন্ট তৈরি বা আপডেট করার সময় নিজেরাই তথ্য দিতে পারেন।
সঠিক তথ্যের ধরন ব্যবহৃত ফাংশনের ওপর নির্ভর করতে পারে। এর মধ্যে ব্যবহারকারীর দেওয়া মৌলিক পরিচয় বা যোগাযোগের তথ্য এবং প্রোফাইলের বিবরণ থাকতে পারে।
প্রাসঙ্গিক প্রক্রিয়ায় কোনো নির্দিষ্ট তথ্য বাধ্যতামূলক বলে স্পষ্টভাবে উল্লেখ না থাকলে এই নীতি ধরে নেয় না যে সেটি বাধ্যতামূলক।
ব্যবহারকারীদের অপ্রয়োজনীয় সংবেদনশীল তথ্য প্রদান করা এড়ানো উচিত। নির্দিষ্ট ইন্টারঅ্যাকশনের জন্য যুক্তিসঙ্গতভাবে যতটুকু প্রয়োজন, তথ্য ততটুকুতেই সীমাবদ্ধ রাখা উচিত।
যাচাইকরণ প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত তথ্য
কিছু পরিষেবায় পরিচয়, বয়স বা নির্দিষ্ট কার্যক্রমের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য তথ্যের প্রয়োজন হতে পারে।
যাচাইকরণ অপব্যবহার কমাতে, অননুমোদিত কার্যক্রম প্রতিরোধ করতে এবং নির্দিষ্ট কাজটি উপযুক্ত ব্যক্তিই করছেন কিনা তা নিশ্চিত করতে সহায়তা করতে পারে।
পরিস্থিতি অনুযায়ী যাচাইকরণ তথ্য ব্যবহার করা হতে পারে:
- প্রদত্ত তথ্যের সামঞ্জস্য নিশ্চিত করতে।
- বয়স-সংক্রান্ত যাচাই সমর্থন করতে।
- প্রতারণা বা অননুমোদিত প্রবেশের সন্দেহ হলে কার্যক্রম পর্যালোচনা করতে।
- লেনদেন বা অ্যাকাউন্ট-সংক্রান্ত ফাংশন সুরক্ষিত রাখতে।
প্রয়োজনীয় তথ্যের ধরন পরিবর্তিত হতে পারে। তাই প্রতিটি পরিস্থিতিতে একই নথি প্রয়োজন হবে ধরে নেওয়ার পরিবর্তে সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়ায় দেওয়া নির্দেশনা অনুসরণ করা উচিত।
লেনদেন ও পেমেন্টের রেকর্ড
কোনো পরিষেবা বা ফিচারের সঙ্গে আর্থিক কার্যক্রম যুক্ত থাকলে, লেনদেনের রেকর্ডে অর্থের স্থানান্তর বা প্রক্রিয়াকরণের সঙ্গে সম্পর্কিত তথ্য থাকতে পারে।
এর মধ্যে লেনদেনের পরিমাণ, তারিখ, বর্তমান অবস্থা, নির্বাচিত পেমেন্ট পদ্ধতি এবং লেনদেন বা রেফারেন্স শনাক্তকারী থাকতে পারে।
এই ধরনের রেকর্ড কোনো কার্যক্রম প্রক্রিয়া করা, ব্যর্থ লেনদেন তদন্ত করা, সংশ্লিষ্ট অনুরোধের উত্তর দেওয়া বা সন্দেহজনক কার্যক্রম শনাক্ত করতে সহায়ক হতে পারে।
পেমেন্টের তথ্য সতর্কতার সঙ্গে পরিচালনা করা উচিত। কোনো নিরাপদ প্রক্রিয়ায় নির্দিষ্টভাবে প্রয়োজন না হলে সাধারণ যোগাযোগের মাধ্যমে পাসওয়ার্ড, সম্পূর্ণ পেমেন্ট কার্ডের তথ্য বা নিরাপত্তা কোড পাঠানো উচিত নয়।
ওয়েবসাইট ব্যবহারের মাধ্যমে সংগৃহীত তথ্য
কোনো দর্শক ওয়েবসাইট খুললে বা ব্যবহার করলে কিছু তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৈরি হতে পারে।
এর মধ্যে থাকতে পারে:
- ডিভাইসের ধরন ও অপারেটিং সিস্টেম।
- ব্রাউজারের ধরন বা সংস্করণ।
- IP ঠিকানা।
- ব্রাউজার বা ডিভাইসের ভাষা।
- ভিজিটের সময় খোলা পেজ।
- প্রবেশের আনুমানিক তারিখ ও সময়।
- ওয়েবসাইটের কার্যকারিতার সঙ্গে সম্পর্কিত প্রযুক্তিগত ঘটনা।
এই তথ্য প্রযুক্তিগত সমস্যা শনাক্ত করা, ওয়েবসাইট কীভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে তা বোঝা এবং নিরাপত্তা বজায় রাখতে সহায়তা করতে পারে।
উদাহরণস্বরূপ, ব্রাউজার ও ডিভাইসের তথ্যের মাধ্যমে বহুল ব্যবহৃত মোবাইল ডিভাইসে কোনো পেজ সঠিকভাবে প্রদর্শিত হচ্ছে কিনা তা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ভিজিটের রেকর্ড থেকে বোঝা যেতে পারে কোনো নির্দিষ্ট বিভাগে নেভিগেশন কঠিন বা বারবার প্রযুক্তিগত সমস্যা হচ্ছে কিনা।
প্রযুক্তিগত তথ্য একা কোনো দর্শককে সরাসরি শনাক্ত নাও করতে পারে। তবে কীভাবে তথ্যটি একত্রিত বা ব্যবহার করা হচ্ছে তার ওপর নির্ভর করে কিছু তথ্য ব্যক্তিগত তথ্য হিসেবেও বিবেচিত হতে পারে।
ডেটা প্রক্রিয়াকরণের উদ্দেশ্য
তথ্য কোনো কারণ ছাড়া সংগ্রহ না করে একটি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য থাকা উচিত।
ওয়েবসাইটের ব্যবহৃত ফাংশনের ওপর নির্ভর করে তথ্য অ্যাকাউন্টের ফিচার সমর্থন করা, বার্তার উত্তর দেওয়া, নিরাপত্তা বজায় রাখা, অপব্যবহার তদন্ত করা বা রিসোর্সের প্রযুক্তিগত কার্যকারিতা উন্নত করতে ব্যবহার করা হতে পারে।
| উদ্দেশ্য | তথ্য কীভাবে সহায়তা করতে পারে |
|---|---|
| অ্যাকাউন্টের কার্যকারিতা | উপলব্ধ প্রোফাইল বা অ্যাকাউন্ট ফিচার বজায় রাখা |
| নিরাপত্তা | সন্দেহজনক বা অননুমোদিত কার্যক্রম শনাক্ত করা |
| ব্যবহারকারীর সঙ্গে যোগাযোগ | প্রশ্ন বা সম্পাদকীয় অনুরোধের উত্তর দেওয়া |
| প্রযুক্তিগত রক্ষণাবেক্ষণ | ত্রুটি শনাক্ত করা ও কার্যকারিতা উন্নত করা |
| অপব্যবহার প্রতিরোধ | অপব্যবহার বা সাইট বিঘ্নিত করার প্রচেষ্টা তদন্ত করা |
| ওয়েবসাইট উন্নয়ন | কোন ফাংশনে মনোযোগ প্রয়োজন তা বোঝা |
ওয়েবসাইট, এর ব্যবহারকারী বা প্রযুক্তিগত অবকাঠামো সুরক্ষার জন্য যুক্তিসঙ্গতভাবে প্রয়োজন হলে তথ্য প্রক্রিয়া করা হতে পারে।
তথ্য যে উদ্দেশ্যে প্রথমে সংগ্রহ করা হয়েছিল, সেই উদ্দেশ্যের সঙ্গে এর ব্যবহার যুক্ত থাকা উচিত, যদি না প্রযোজ্য নিয়ম অনুযায়ী অন্য কোনো ব্যবহার অনুমোদিত হয়।
কুকি ও অনুরূপ প্রযুক্তি
কুকি হলো ছোট তথ্যের অংশ, যা ওয়েবসাইট দর্শকের ব্রাউজারের মাধ্যমে সংরক্ষণ করতে পারে। অনুরূপ প্রযুক্তিও একই ধরনের কাজ করতে পারে।
এগুলো নির্বাচিত সেটিংস মনে রাখা, ওয়েবসাইটের সেশন বজায় রাখা বা পেজগুলো কীভাবে কাজ করে সে সম্পর্কে তথ্য প্রদান করতে ব্যবহৃত হতে পারে।
উদাহরণস্বরূপ, একটি কুকি পেজ পরিবর্তনের পরও ভাষার সেটিং বজায় রাখতে সহায়তা করতে পারে। অন্য একটি কুকি সেশন বজায় রাখতে পারে, যাতে ব্যবহারকারীকে প্রতিটি পেজ রিকোয়েস্টের সময় একই কাজ পুনরায় করতে না হয়।
কুকি প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণেও সহায়তা করতে পারে। এর মাধ্যমে ধীরগতির পেজ, নেভিগেশন সমস্যা বা নির্দিষ্ট ডিভাইসে প্রত্যাশিতভাবে কাজ না করা ফিচার শনাক্ত করা সম্ভব হতে পারে।
সব কুকির উদ্দেশ্য বা সংরক্ষণের সময়কাল এক নয়। কিছু ব্রাউজার বন্ধ হলে মুছে যেতে পারে, অন্যগুলো দীর্ঘ সময় থাকতে পারে।
ব্রাউজার সেটিংসের মাধ্যমে কুকি নিয়ন্ত্রণ
দর্শকরা সাধারণত তাদের ব্রাউজারের প্রাইভেসি বা সাইট সেটিংসের মাধ্যমে কুকি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন।
ব্যবহারকারী সক্ষম হতে পারেন:
- সংরক্ষিত কুকি পর্যালোচনা করতে।
- বিদ্যমান কুকি মুছে ফেলতে।
- নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটের কুকি ব্লক করতে।
- নির্দিষ্ট ধরনের কুকি সীমিত করতে।
- নতুন কুকি সংরক্ষণের আগে ব্রাউজারকে অনুমতি চাইতে সেট করতে।
সঠিক মেনু ব্যবহৃত ব্রাউজার ও ডিভাইসের ওপর নির্ভর করে।
কুকি মুছে ফেলা বা ব্লক করলে কিছু ওয়েবসাইট ফাংশন প্রভাবিত হতে পারে। সংরক্ষিত পছন্দগুলো হারিয়ে যেতে পারে, সেশন শেষ হতে পারে বা কিছু ফিচার প্রত্যাশামতো কাজ নাও করতে পারে।
বাংলাদেশের ব্যবহারকারীরা যারা মূলত মোবাইল ব্রাউজার দিয়ে ওয়েবসাইট ব্যবহার করেন, তারা সাধারণত ব্রাউজারের প্রাইভেসি বা সাইট-ডেটা সেটিংসে অনুরূপ নিয়ন্ত্রণ খুঁজে পাবেন।
কখন তথ্য শেয়ার করা হতে পারে
কিছু ওয়েবসাইট ফাংশন তৃতীয় পক্ষের পরিষেবা প্রদানকারীর ওপর নির্ভর করতে পারে।
তাই প্রযুক্তিগত হোস্টিং, নিরাপত্তা, পেমেন্ট প্রক্রিয়াকরণ বা গ্রাহক যোগাযোগের মতো ফাংশন সমর্থনের জন্য প্রয়োজন হলে তথ্য পরিষেবা প্রদানকারীদের সঙ্গে শেয়ার করা হতে পারে।
শেয়ার করা তথ্য সংশ্লিষ্ট পরিষেবার জন্য প্রাসঙ্গিক তথ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত।
সম্ভাব্য প্রাপকদের মধ্যে থাকতে পারেন:
- পেমেন্ট বা লেনদেন প্রক্রিয়াকরণ পরিষেবা।
- হোস্টিং ও প্রযুক্তিগত অবকাঠামো প্রদানকারী।
- নিরাপত্তা ও প্রতারণা প্রতিরোধ পরিষেবা।
- যোগাযোগ বা সাপোর্ট সিস্টেম।
- নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট ফাংশন পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য প্রদানকারী।
কোনো বাহ্যিক প্রদানকারী নিজস্ব চুক্তিগত, নিরাপত্তা বা গোপনীয়তা-সংক্রান্ত দায়বদ্ধতার অধীনে তথ্য পরিচালনা করতে পারে।
কোনো বাহ্যিক পরিষেবা ব্যবহৃত হচ্ছে বলেই প্রত্যেক তৃতীয় পক্ষের সব ব্যবহারকারীর তথ্যে অবাধ প্রবেশাধিকার রয়েছে—এমনটি ধরে নেওয়া উচিত নয়।
আইনি কারণে তথ্য প্রকাশ
কোনো বৈধ আইনি প্রয়োজন প্রযোজ্য হলে কখনো কখনো তথ্য প্রকাশের প্রয়োজন হতে পারে।
এর মধ্যে সক্ষম কর্তৃপক্ষের আইনসম্মত অনুরোধ অথবা ব্যবহারকারীকে সুরক্ষা দেওয়া, অপব্যবহার তদন্ত করা বা ওয়েবসাইট ও এর সিস্টেম রক্ষা করার জন্য যুক্তিসঙ্গতভাবে প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।
এই ধরনের তথ্য প্রকাশ পরিস্থিতি এবং প্রযোজ্য প্রয়োজনীয়তার ওপর নির্ভর করবে।
এর অর্থ এই নয় যে কেউ তথ্য চাইলেই ব্যবহারকারীর তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রকাশ করা হবে। কোনো তথ্য দেওয়ার আগে অনুরোধটি মূল্যায়ন করার প্রয়োজন হতে পারে।
ব্যক্তিগত তথ্যের আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাপনা
অনলাইন পরিষেবাগুলো প্রায়ই বিভিন্ন অঞ্চলে পরিচালিত অবকাঠামো ও পরিষেবা প্রদানকারীর ওপর নির্ভর করে।
এর ফলে বাংলাদেশের কোনো ব্যবহারকারীর সঙ্গে সম্পর্কিত তথ্য কখনো কখনো ব্যবহারকারীর তাৎক্ষণিক অবস্থানের বাইরে থাকা পরিষেবা প্রদানকারীর মাধ্যমে প্রক্রিয়া বা সংরক্ষণ করা হতে পারে।
সঠিক অঞ্চল নির্ভর করতে পারে প্রদানকারী, প্রযুক্তিগত সিস্টেম এবং সংশ্লিষ্ট পরিষেবার ওপর।
নির্দিষ্ট তথ্য নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত এই নীতি কোনো নির্দিষ্ট দেশে তথ্য স্থানান্তরিত হয় বলে উল্লেখ করে না।
আন্তর্জাতিকভাবে তথ্য প্রক্রিয়াকরণ হলে তথ্যের প্রকৃতি এবং সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়াকরণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নিয়ম অনুযায়ী উপযুক্ত সুরক্ষা ব্যবস্থা বিবেচনা করা উচিত।
ডেটা সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা
কোনো কারণ ছাড়া তথ্য অনির্দিষ্টকাল সংরক্ষণ করা উচিত নয়।
উপযুক্ত সংরক্ষণকাল নির্ভর করতে পারে ডেটার ধরন, কেন এটি সংগ্রহ করা হয়েছে, কোনো চলমান অনুরোধ রয়েছে কিনা এবং নিরাপত্তা, বিরোধ বা আইনি কারণে রেকর্ড সংরক্ষণ করা প্রয়োজন কিনা তার ওপর।
স্বল্পমেয়াদি প্রযুক্তিগত সমস্যা সমাধানের জন্য ব্যবহৃত কোনো লগের সংরক্ষণকাল কোনো লেনদেন বা অমীমাংসিত অনুরোধের সঙ্গে সম্পর্কিত তথ্যের মতো নাও হতে পারে।
যুক্তিসঙ্গত নিরাপত্তা পদ্ধতির মধ্যে অননুমোদিত প্রবেশ সীমিত করা, ওয়েবসাইটের সিস্টেম সুরক্ষিত রাখা এবং অনুপযুক্ত প্রকাশ বা পরিবর্তনের ঝুঁকি কমানোর ব্যবস্থা থাকতে পারে।
তবে কোনো ওয়েবসাইট, ডিভাইস, নেটওয়ার্ক বা স্টোরেজ সিস্টেম সম্পূর্ণ নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিতে পারে না।
তথ্য সুরক্ষায় ব্যবহারকারীদেরও ভূমিকা রয়েছে। শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার, লগইন তথ্য সতর্কতার সঙ্গে পরিচালনা এবং সন্দেহজনক লিংক এড়িয়ে চলা অপ্রয়োজনীয় ঝুঁকি কমাতে পারে।
ব্যক্তিগত তথ্য সম্পর্কিত ব্যবহারকারীর অধিকার
প্রযোজ্য নিয়ম এবং তথ্য প্রক্রিয়াকরণের পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য সম্পর্কে কিছু অধিকার থাকতে পারে।
এর মধ্যে সংরক্ষিত তথ্য সম্পর্কে জানতে চাওয়া, ভুল তথ্য সংশোধনের অনুরোধ, নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে তথ্য মুছে ফেলার অনুরোধ, নির্দিষ্ট ধরনের প্রক্রিয়াকরণ সীমিত করার অনুরোধ অথবা সম্মতির ভিত্তিতে পরিচালিত প্রক্রিয়াকরণের ক্ষেত্রে সম্মতি পরিবর্তন করার সুযোগ থাকতে পারে।
কোনো নির্দিষ্ট অনুরোধের সুযোগ তথ্যের ধরন এবং তা সংরক্ষণের কারণের ওপর নির্ভর করতে পারে।
তথ্য দেখা ও সংশোধন করা
অ্যাকাউন্ট বা প্রোফাইল নিয়ন্ত্রণের সুবিধা থাকলে ব্যবহারকারীরা কিছু তথ্য সরাসরি দেখতে বা পরিবর্তন করতে পারেন।
অন্যান্য তথ্য সংশোধনের জন্য উপলব্ধ যোগাযোগ চ্যানেলের মাধ্যমে অনুরোধ করতে হতে পারে।
অনুরোধে প্রয়োজনীয় তথ্য শনাক্ত করার মতো যথেষ্ট বিবরণ থাকা উচিত, তবে অপ্রয়োজনীয় সংবেদনশীল তথ্য দেওয়া উচিত নয়।
তথ্য পরিবর্তনের আগে কখনো কখনো পরিচয় যাচাইয়ের প্রয়োজন হতে পারে, বিশেষ করে অনুরোধটি অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা বা ব্যক্তিগত রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হলে।
ব্যক্তিগত তথ্য মুছে ফেলার অনুরোধ
যেখানে তথ্য আর প্রয়োজনীয় নয় অথবা প্রযোজ্য নিয়ম অনুযায়ী মুছে ফেলা উপযুক্ত, সেখানে ব্যবহারকারী ব্যক্তিগত তথ্য মুছে ফেলার অনুরোধ করতে পারেন।
তথ্য মুছে ফেলা সবসময় তাৎক্ষণিক বা সম্পূর্ণ নাও হতে পারে।
নিরাপত্তা, বিরোধ নিষ্পত্তি, প্রতারণা প্রতিরোধ বা অন্যান্য প্রযোজ্য বাধ্যবাধকতার কারণে কিছু তথ্য সীমিত সময়ের জন্য সংরক্ষণ করা প্রয়োজন হতে পারে।
সম্পূর্ণভাবে মুছে ফেলা সম্ভব না হলে সংশ্লিষ্ট সীমাবদ্ধতা কেন তথ্য সংরক্ষণ করা প্রয়োজন তার ওপর নির্ভর করতে পারে।
ডেটা প্রক্রিয়াকরণের সম্মতি পরিচালনা
কিছু ধরনের তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ব্যবহারকারীর সম্মতির ওপর নির্ভর করতে পারে।
এ ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীরা উপলব্ধ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে বা অনুরোধ জমা দিয়ে ভবিষ্যৎ প্রক্রিয়াকরণের জন্য তাদের সম্মতি পরিবর্তন বা প্রত্যাহার করতে সক্ষম হতে পারেন।
সম্মতি পরিবর্তন করলে পরিবর্তনের আগে বৈধভাবে সম্পন্ন করা প্রক্রিয়াকরণ অগত্যা প্রভাবিত হবে না।
বাংলাদেশের দর্শকদের ক্ষেত্রে গোপনীয়তা-সংক্রান্ত পছন্দগুলো সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট ফাংশনের প্রকৃতির সঙ্গে মিলিয়ে বিবেচনা করা উচিত। এই স্বাধীন তথ্যভিত্তিক ওয়েবসাইট সম্পর্কিত কোনো অনুরোধ Jaya9-এর কাছে পাঠানোর অনুরোধ হিসেবে ধরে নেওয়া উচিত নয়; সেটি ওয়েবসাইটের নিজস্ব যোগাযোগ চ্যানেলে পাঠানো উচিত। এই নীতির উদ্দেশ্য হলো ব্যবহারকারীর তথ্য কীভাবে পরিচালিত হয় তা বোধগম্য করা এবং একই সঙ্গে তথ্য সংগ্রহ, ব্যবহার ও সংরক্ষণকে সংশ্লিষ্ট উদ্দেশ্যের সঙ্গে আনুপাতিক রাখা।

